ত্রিতরঙ্গ শিল্প-সংস্কৃতি জনকল্যাণ সংস্থা
১৯৮৪ সাল থেকে সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে সৃজনশীল চর্চা, শৈল্পিক বিকাশ এবং সদস্যদের নৈতিক ও মানবিক চেতনার বিকাশে নিবেদিত।
সাংস্কৃতিক উৎসব আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি
বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, কবিতা ও গানের উৎসবের মাধ্যমে আমরা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরি।
মানব সেবা সমাজের কল্যাণে আমরা
সংস্কৃতি মানে কেবল শিল্প নয়, বরং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নিই।
শৈল্পিক বিকাশ নতুন প্রজন্মের জন্য প্ল্যাটফর্ম
নাটক, সংগীত, আবৃত্তি, সাহিত্য এবং চিত্রকলায় নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল চর্চা ও বিকাশে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে
আলোকিত সমাজ গঠন
চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের তরুণ ছাত্র শাওন পান্থ ১৯৮৪ সালে তাঁর সহপাঠী ও সংস্কৃতিপ্রেমী বন্ধুদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন — “ত্রিতরঙ্গ”।
"সংস্কৃতি মানে কেবল শিল্প নয়, বরং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, সমাজের প্রতি সহমর্মিতা ও নান্দনিক মানবিক চেতনার বিকাশ।"
সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে সৃজনশীল চর্চা, শৈল্পিক বিকাশ এবং সদস্যদের নৈতিক ও মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটানোই ছিল এর মূল লক্ষ্য। নাটক, সংগীত, আবৃত্তি, সাহিত্য, চিত্রকলা, সেবা ও জনকল্যাণসহ বহুমাত্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তরুণ সমাজকে আলোকিত ও মননশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আদর্শেই “ত্রিতরঙ্গ” প্রতিষ্ঠিত হয়।
আমাদের লক্ষ্য— বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিশ্বব্যাপী বিকাশ ঘটিয়ে এমন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি মানুষ হবে রুচিশীল, সংস্কৃতিবান ও সচেতন নাগরিক।
গ্যালারি
আমাদের অসংখ্য সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, লোক উৎসব, কবিতা উৎসব এবং জনকল্যাণমূলক কাজের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত।
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ
শাওন পান্থ
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ, ত্রিতরঙ্গ
জনাব ওসমান গণি মনসুর
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ, ত্রিতরঙ্গ